• Skip to primary navigation
  • Skip to main content
  • Skip to primary sidebar
  • Skip to footer
ট্রাভেলার আতিক

ট্রাভেলার আতিক

বাংলা ট্রাভেল ব্লগ

  • হোম
  • বাংলাদেশ
    • ঢাকা বিভাগ
      • ঢাকা জেলা
      • মানিকগঞ্জ জেলা
      • মুন্সিগঞ্জ জেলা
      • কিশোরগঞ্জ জেলা
      • গাজীপুর জেলা
      • গোপালগঞ্জ জেলা
      • টাঙ্গাইল জেলা
      • নরসিংদী জেলা
      • নারায়ণগঞ্জ জেলা
      • ফরিদপুর জেলা
      • মাদারীপুর জেলা
      • রাজবাড়ী জেলা
      • শরীয়তপুর জেলা
    • চট্টগ্রাম বিভাগ
      • চট্টগ্রাম জেলা
      • কক্সবাজার জেলা
      • কুমিল্লা জেলা
      • খাগড়াছড়ি জেলা
      • চাঁদপুর জেলা
      • নোয়াখালী জেলা
      • ফেনী জেলা
      • বান্দরবান জেলা
      • ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা
      • রাঙ্গামাটি জেলা
      • লক্ষ্মীপুর জেলা
    • রাজশাহী বিভাগ
      • রাজশাহী জেলা
      • চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা
      • জয়পুরহাট জেলা
      • নওগাঁ জেলা
      • নাটোর জেলা
      • পাবনা জেলা
      • বগুড়া জেলা
      • সিরাজগঞ্জ জেলা
    • খুলনা বিভাগ
      • খুলনা জেলা
      • কুষ্টিয়া জেলা
      • চুয়াডাঙ্গা জেলা
      • ঝিনাইদহ জেলা
      • নড়াইল জেলা
      • বাগেরহাট জেলা
      • মাগুরা জেলা
      • মেহেরপুর জেলা
      • যশোর জেলা
      • সাতক্ষীরা জেলা
    • বরিশাল বিভাগ
      • বরিশাল জেলা
      • ঝালকাঠি জেলা
      • পটুয়াখালী জেলা
      • পিরোজপুর জেলা
      • বরগুনা জেলা
      • ভোলা জেলা
    • সিলেট বিভাগ
      • সিলেট জেলা
      • মৌলভীবাজার জেলা
      • সুনামগঞ্জ জেলা
      • হবিগঞ্জ জেলা
    • রংপুর বিভাগ
      • রংপুর জেলা
      • পঞ্চগড় জেলা
      • কুড়িগ্রাম জেলা
      • গাইবান্ধা জেলা
      • ঠাকুরগাঁও জেলা
      • দিনাজপুর জেলা
      • নীলফামারী জেলা
      • লালমনিরহাট জেলা
    • ময়মনসিংহ বিভাগ
      • ময়মনসিংহ জেলা
      • জামালপুর জেলা
      • শেরপুর জেলা
      • নেত্রকোনা জেলা
  • ভ্রমন পরামর্শ

প্রাকৃতিক সৌন্দর্য

বোটানিক্যাল গার্ডেন ও ইকো পার্ক, সীতাকুন্ড

জুন ২৮, ২০২৫ by আতিকুর রহমান

বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুন্ড উপজেলা কেবল ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক গুরুত্বে নয়, বরং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও জীববৈচিত্র্যের জন্যও বেশ সমৃদ্ধ। এরই একটি অন্যতম নিদর্শন হলো সীতাকুন্ড বোটানিক্যাল গার্ডেন ও ইকো পার্ক, যা সংরক্ষিত বনভূমি, বিরল উদ্ভিদ, বন্যপ্রাণী, পাহাড়ি ঝরনা ও সবুজের অপূর্ব সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকৃতির লীলাভূমি। এটি শুধু পর্যটকদের জন্য নয়, গবেষক, প্রকৃতিপ্রেমী ও শিক্ষার্থীদের কাছেও একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান।

প্রতিষ্ঠা ও উদ্দেশ্য

সীতাকুন্ড বোটানিক্যাল গার্ডেন ও ইকো পার্ক প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯৮ সালে, বন অধিদপ্তরের উদ্যোগে। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল:

  • জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ,
  • বিপন্ন ও বিরল উদ্ভিদ ও প্রাণীর নিরাপদ আবাস গড়ে তোলা,
  • পরিবেশ ও প্রকৃতি সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃষ্টি,
  • পরিবেশবান্ধব পর্যটন (ইকো-ট্যুরিজম) উৎসাহিত করা,
  • শিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ তৈরি করা।

অবস্থান ও পরিবেশ

এই ইকো পার্কটি চট্টগ্রাম শহর থেকে প্রায় ৩৭ কিলোমিটার দূরে সীতাকুন্ড উপজেলায় অবস্থিত। এটি প্রায় ৮০২ হেক্টর জমির উপর বিস্তৃত, যার একটি বড় অংশ পাহাড়, টিলা ও ঘন বনভূমি দিয়ে গঠিত। এটি বরদ্বারহাট রোড থেকে সহজে পৌঁছানো যায় এবং এর প্রবেশপথে রয়েছে একটি প্রশস্ত গেট ও টিকিট কাউন্টার।

উদ্ভিদ ও প্রাণীজ সম্পদ

সীতাকুন্ড ইকো পার্ক একটি জীবন্ত উদ্ভিদ জাদুঘর। এখানে রয়েছে:

  • ৩৫টি স্থানীয় প্রজাতির বৃক্ষ
  • ২০টির বেশি বিদেশি উদ্ভিদ প্রজাতি
  • বিপন্ন ও ঔষধি গাছপালা
  • বিভিন্ন ফুলগাছ ও লতাগুল্ম

এছাড়াও, এখানে রয়েছে বিভিন্ন প্রজাতির বন্যপ্রাণী, যেমন:

  • বানর, কাঠবিড়ালি, গিরগিটি, সাপ
  • বন্য পাখি: ময়না, টিয়া, ডাহুক, বুলবুল
  • প্রজাপতি ও অন্যান্য কীটপতঙ্গ

এই উদ্ভিদ ও প্রাণীকুল সংরক্ষণের মাধ্যমে জীববৈচিত্র্য রক্ষা ও পরিবেশ ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে এই পার্ক।

দর্শনার্থীদের জন্য আকর্ষণ

সীতাকুন্ড বোটানিক্যাল গার্ডেন ও ইকো পার্ক প্রতিদিন হাজারো দর্শনার্থীর পদচারণায় মুখর থাকে। পার্কে রয়েছে:

  • পায়ে হাঁটার নির্ধারিত ট্রেইল
  • পাহাড়ি ঝরনা ও ছোট সাঁকো
  • বিশ্রামের জন্য ছায়াঘেরা বেঞ্চ ও ছাউনি
  • পর্যবেক্ষণ টাওয়ার
  • পিকনিকের জন্য নির্ধারিত স্থান

এখানে ট্রেকিংয়ের মাধ্যমে পাহাড়ে উঠে চন্দ্রনাথ পাহাড়ের চূড়া পর্যন্ত যাওয়া যায়। সেখানে থেকে সমুদ্র ও পুরো সীতাকুন্ড এলাকার এক অপূর্ব দৃশ্য উপভোগ করা যায়।

শিক্ষা, গবেষণা ও ইকো-ট্যুরিজম

সীতাকুন্ড ইকো পার্ক কেবল বিনোদনের জায়গা নয়, এটি একটি পরিবেশ শিক্ষা কেন্দ্র হিসেবেও কাজ করছে। এখানকার উদ্ভিদ ও প্রাণীর বৈচিত্র্য শিক্ষার্থী ও গবেষকদের জন্য এক বাস্তব জীববৈচিত্র্য পাঠশালা। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষার্থীরা এখানে গবেষণামূলক ভ্রমণে আসে।

এছাড়াও, ইকো-ট্যুরিজমের বিকাশে এই পার্ক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। স্থানীয় জনগণের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং পরিবেশ সংরক্ষণের মাধ্যমে এই পার্ক সমাজ ও প্রকৃতির মাঝে একটি ভারসাম্য বজায় রাখছে।

উপসংহার

সীতাকুন্ড বোটানিক্যাল গার্ডেন ও ইকো পার্ক কেবল একটি পার্ক নয়, এটি একটি জীবন্ত শিক্ষাঙ্গন, একটি পরিবেশবান্ধব পর্যটন কেন্দ্র এবং একটি প্রাকৃতিক আশ্রয়স্থল। প্রকৃতি ও মানুষের মেলবন্ধনের এক অনন্য নিদর্শন এই পার্ক সবার জন্য উন্মুক্ত, যারা প্রকৃতির মাঝে একটু শান্তি খুঁজে নিতে চান। এটি ভ্রমণপিপাসু, গবেষক এবং শিক্ষার্থীদের জন্য অবশ্যই একবার ঘুরে দেখার মতো স্থান।

প্রবেশ মূল্য ও সময়সূচি

  • প্রবেশমূল্য: মাত্র ৫ টাকা (শিক্ষার্থী ও শিশুদের জন্য বিশেষ ছাড় থাকতে পারে)
  • খোলা থাকে: রবিবার ছাড়া, প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত
  • ছুটি: সরকার নির্ধারিত ছুটির দিনেও খোলা থাকে (বিশেষ উপলক্ষে সময় পরিবর্তন হতে পারে)

মানচিত্র

গুগলের মানচিত্রে সীতাকুন্ড বোটানিক্যাল গার্ডেন ও ইকো পার্ক:

Filed Under: এশিয়া, চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ, ভ্রমণ গন্তব্য Tagged With: ইকো পার্ক, ইকো-ট্যুরিজম, চট্টগ্রাম ভ্রমণ, জীববৈচিত্র্য, পরিবেশ শিক্ষা, পাহাড়ি ট্রেকিং, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, বাংলাদেশ পর্যটন, বোটানিক্যাল গার্ডেন, সীতাকুন্ড, সীতাকুন্ড পার্ক

রমনা পার্ক

মে ১৩, ২০২৫ by আতিকুর রহমান

বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা, তার ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতির জন্য সুপরিচিত। মসলিন, মসজিদ আর রিকশার শহর হিসেবে একসময় পরিচিত এই নগরী আজ এক বিশাল মহানগরে রূপ নিয়েছে, যেখানে অতীতের স্মৃতি ও আধুনিকতার সম্মিলন ঘটেছে এক অভাবনীয় ছন্দে। এই শহরের বুকজুড়ে ছড়িয়ে থাকা ইতিহাসের এক জ্বলন্ত নিদর্শন হলো রমনা পার্ক—যা শুধু একটি উদ্যান নয়, বরং একটি শহরের ঐতিহ্য ও প্রকৃতির মিলনস্থল।

মুঘল আমল থেকে আধুনিক রমনা

রমনার ইতিহাস শুরু হয় মুঘল শাসনামলে, আনুমানিক ১৬১০ সালে, যখন সুবাদার ইসলাম খান সম্রাট জাহাঙ্গীরের নির্দেশে ঢাকাকে রাজধানী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন। তখন রমনা ছিল ঢাকার উত্তরে অবস্থিত এক অভিজাত এলাকা, যেখানে নতুন বাড়ি, মসজিদ, মন্দির, সমাধি ও বাগান নির্মিত হয়। এ অঞ্চল একসময় মুঘলদের সামাজিক ও ধর্মীয় কার্যকলাপের কেন্দ্র ছিল।

তবে মুঘল শাসনের অবসান ও রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে রমনার জৌলুস হারিয়ে যেতে থাকে। সময়ের পরিক্রমায় এটি পরিণত হয় পরিত্যক্ত ভবন, ঝোপঝাড়, কবরস্থান ও ধ্বংসপ্রাপ্ত মন্দিরের অঞ্চলে। এই ঐতিহাসিক স্থানটির পুনর্জন্ম ঘটে ১৯৫২ সালে, যখন তৎকালীন সি অ্যান্ড বি বিভাগ (বর্তমানে গণপূর্ত অধিদপ্তর) এর আধুনিক রূপ দেওয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করে।

আধুনিক নকশা ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য

রমনা পার্ক বর্তমানে ঢাকার সবচেয়ে বড় এবং সুপরিকল্পিত উদ্যানগুলোর একটি। এর মোট আয়তন ৬৮.৫০ একর, যার মধ্যে ৮.৭৬ একরজুড়ে রয়েছে একটি নান্দনিক লেক। পার্কে বিভিন্ন ধরণের গাছপালা যেমন ফুল, ফলজ, ঔষধি ও বনজ বৃক্ষ রোপণ করা হয়েছে, যার সংখ্যা ১২২ প্রজাতিরও বেশি। এখানে নাগেশ্বরচাঁপা, স্বর্ণচাঁপা, কর্পূর, রীঠা, নাগলিঙ্গম, অর্জুন, মহুয়া, কুসুম, তেলসু ও অশোক গাছ বিশেষভাবে চোখে পড়ে।

লেকের চারপাশে ও পার্কজুড়ে নির্মিত হয়েছে প্রশস্ত পথ, নতুন পাঁচটি গেট, ছাউনি, বসার স্থান এবং টয়লেট সুবিধা—যা নাগরিকদের জন্য এক নিঃশব্দ আরাম ও প্রকৃতির ছোঁয়া পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করে।

ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা

বর্তমানে রমনা পার্ক উদ্যানতত্ত্ব অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে রক্ষণাবেক্ষণ করা হচ্ছে। এটি কেবল একটি বিনোদন কেন্দ্র নয়, বরং ঢাকা শহরের ইতিহাস ও নগর উন্নয়নের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ। যদি নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয় এবং সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে এটি সকল শ্রেণির মানুষের জন্য উন্মুক্ত ও উপভোগ্য করে তোলা যায়, তবে রমনা পার্ক হতে পারে ঢাকার এক অনন্য প্রাকৃতিক ও ঐতিহাসিক আকর্ষণ।

রমনা পার্ক শুধু গাছপালা আর জলাধারের সমন্বয়ে গঠিত একটি স্থান নয়, এটি ঢাকার অতীত ঐতিহ্য ও নাগরিক জীবনের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এই পার্কে হাঁটলে যেন মুঘল আমলের ছায়া, বৃটিশ শাসনের স্মৃতি এবং আধুনিক শহর পরিকল্পনার নিদর্শন একসাথে মিশে যায়—যা প্রতিটি ঢাকাবাসীর গর্ব করার মতো।

উপসংহার

রমনা পার্ক শুধু একটি পার্ক নয়, এটি ঢাকার ইতিহাস, সংস্কৃতি ও প্রকৃতির এক অপূর্ব মিলনস্থল। প্রাচীন মুঘল ঐতিহ্য থেকে শুরু করে আধুনিক শহরায়নের নানা অধ্যায়ে এই পার্ক স্বাক্ষী হয়েছে সময়ের পরিবর্তনের। আজও এটি নাগরিক জীবনের এক শান্ত আশ্রয়স্থল, যেখানে প্রকৃতির ছোঁয়া পাওয়া যায় কোলাহলময় নগরের মধ্যেও। তবে এর পূর্ণ সম্ভাবনা কাজে লাগাতে হলে নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনাগত উন্নয়নের পাশাপাশি সকল শ্রেণির মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। তখনই রমনা পার্ক হয়ে উঠবে একটি সর্বজনীন ঐতিহাসিক ও প্রাকৃতিক ঐতিহ্য—যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছেও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক ও প্রিয় থাকবে।

টিকিট এবং সময়সূচি

টিকিট :

বর্তমানে রমনা পার্ক সকল দর্শনার্থীদের বিনামূল্যে প্রবেশের জন্য উন্মুক্ত, পার্কের  ভিতরে প্রবেশ করতে কোন টিকিট সংগ্রহ বা ফি প্রদান করতে হয় না।

সময়সূচি:

নিচে টেবিল আকারে রমনা পার্কের সকাল ও বিকেলের সময়সূচি দেওয়া হলো:

সময়কাল সময়
সকাল সকাল ৬:০০ – দুপুর ১২:০০
বিকেল বিকেল ২:০০ – রাত ৮:০০

অন্যান্ন তথ্য

বিশেষ দ্রষ্টব্য: রমনা পার্ক সম্পের্কে আরও বস্তারিত তথ্য জানতে উইকিপিডিয়ার বিস্তারিত আর্টিক্যাল দেখুন: দর্শনীয় স্থান: রমনা পার্ক

মানচিত্র

গুগলের মানচিত্রে রমনা পার্ক।

ভিডিও ডকুমেন্টারি

Filed Under: এশিয়া, ঢাকা, বাংলাদেশ, ভ্রমণ গন্তব্য Tagged With: Park, Ramna, Ramna Park, উদ্যান, ঐতিহাসিক স্থান, ঢাকা, নগর পরিকল্পনা, পর্যটন, পার্ক, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, বাংলাদেশ ইতিহাস, মুঘল ইতিহাস, রমনা, রমনা পার্ক, শহর উন্নয়ন

ঢাকা জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান

মে ২২, ২০২৪ by আতিকুর রহমান

এক নজরের ঢাকা জেলায় ঘুরে বেড়ানোর মত কী কী বিখ্যাত দর্শনীয় স্থান আছে সেগুলো এই পোস্টের মাধ্যমে আপনাদের কাছে উপস্থাপনের একটি ছোট প্রয়াশঃ

ঢাকা জেলার প্রতিটি পর্যটন স্পট ও দর্শনীয় স্থান সমূহ

প্রধান ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান

  • লালবাগ কেল্লা (লালবাগ, পুরান ঢাকা)
  • আহসান মঞ্জিল (ইসলামপুর, পুরান ঢাকা)
  • নভো থিয়েটার (বিজয় স্মরণীর মোড়, তেঁজগাও)
  • বঙ্গবন্ধু সামরিক জাদুঘর (বিজয় স্মরণীর মোড়, তেঁজগাও)
  • বাংলাদেশ বিমান বাহিনী জাদুঘর (শের-এ-বাংলা নগর, আগারগাঁও)
  • জাতীয় সংসদ ভবন (শেরে বাংলা নগর)
  • ঢাকা চিড়িয়াখানা (মিরপুর)
  • সাত গম্বুজ মসজিদ (মোহাম্মদপুর)
  • জাহাঙ্গীরনগর ইউনিভার্সিটি (সাভার)
  • জাতীয় স্মৃতিসৌধ (সাভার)
  • বলধা গার্ডেন (ওয়ারী)
  • তারা মসজিদ (আরমানিটোলা, পুরান ঢাকা)
  • সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল (সদরঘাট, পুরান ঢাকা)
  • বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর (শাহাবাগ)
  • টাকা জাদুঘর (মিরপুরে)

পার্ক এবং রিসোর্ট

  • চন্দ্রিমা উদ্যান (শের-এ-বাংলা নগর, আগারগাঁও)
  • সোহরাওয়ার্দী উদ্যান (রমনা)
  • রমনা পার্ক (রমনা)
  • বাহাদুর শাহ পার্ক (সদরঘাটে, পুরান ঢাকা)
  • ফ্যান্টাসি কিংডম (আশুলিয়া)
  • নন্দন পার্ক (নবীনগর, সাভার)

অন্যান্য ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান

  • আম্বর শাহ (রহ.) শাহি জামে মসজিদ (কারওয়ান বাজার)
  • বড় কাটরা ও ছোট কাটরা (চকবাজারে, পুরনো ঢাকা)
  • কলাকুপা কোকিলপেয়ারি জমিদার বাড়ি (নবাবগঞ্জ উপজেলা)
  • খেলারাম দাতার কোঠা (নবাবগঞ্জ উপজেলা)
  • কার্জন হল (ঢাকা ইউনিভার্সিটি)
  • ঢাকেশ্বরী মন্দির (পলাশী ব্যারাক)
  • রায়ের বাজার বদ্ধভূমি স্মৃতিসৌধ (রায়ের বাজার)
  • হাতিরঝিল (রামপুরা, তেঁজগাও, গুলশান এলাকার মাঝে)
  • কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার / জাতীয় শহীদ মিনার (ঢাকা ইউনিভার্সিটি)
  • বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ (গুলিস্তান)
  • মৈনট ঘাট (দোহার)
  • গোলাপ গ্রাম (সাদুল্লাহপুর)
  • খান মোহাম্মদ মৃধা মসজিদ
  • হোসেনি দালান বা ইমামবাড়া (বকশীবাজার)
  • জিনজিরা প্রাসাদ (দরঘাট, পুরান ঢাকা – বুড়িগঙ্গা নদীর ওপারে)
  • ধানমন্ডি লেক (ধানমন্ডি)
  • রোজ গার্ডেন প্যালেস (টিকাটুলি)

Filed Under: ঢাকা, বাংলাদেশ, ভ্রমণ গন্তব্য Tagged With: ঐতিহাসিক স্থান, জেলার দর্শনীয় স্থান, ঢাকা জেলা, ঢাকা জেলার দর্শনীয় স্থান, ঢাকার ট্যুরিস্ট স্পট, ঢাকার পর্যটন, ঢাকার পর্যটন তথ্য, ঢাকার ভ্রমণ, দর্শনীয় স্থান, দর্শনীয় স্থান তালিকা, পর্যটক আকর্ষণ, পর্যটন স্থান ভ্রমণ, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, বাংলাদেশের সৌন্দর্য, বিখ্যাত ভ্রমণ স্থান, ভ্রমণ স্পট

বাংলাদেশের প্রতিটি জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান

মে ৫, ২০২৪ by আতিকুর রহমান

ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইলের আমাদের বাংলাদেশ নামক ছোট দেশটি  ৮টি বিভাগ ও ৬৪ টি জেলা নিয়ে গঠিত।  এক নজরের কোন জেলায় ঘুরে বেড়ানোর মত কী কী বিখ্যাত দর্শনীয় স্থান আছে  সেগুলো এই পোস্টের মাধ্যমে আপনাদের কাছে উপস্থাপনের একটি ছোট প্রয়াশঃ

ঢাকা বিভাগ ভিত্তিক বাংলাদেশের প্রতিটি জেলার পর্যটন স্পট ও দর্শনীয় স্থান সমূহ

ঢাকা বিভাগের ১৩টি জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান সমূহ

  1. ঢাকা জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান
  2. কিশোরগঞ্জ জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান
  3. গাজীপুর জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান
  4. গোপালগঞ্জ জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান
  5. টাঙ্গাইল জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান
  6. নরসিংদী জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান
  7. নারায়ণগঞ্জ জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান
  8. ফরিদপুর জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান
  9. মাদারীপুর জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান
  10. মানিকগঞ্জ জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান
  11. মুন্সিগঞ্জ জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান
  12. রাজবাড়ী জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান
  13. শরীয়তপুর জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান

সিলেট বিভাগের ৪ টি জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান সমূহ

  1. সিলেট জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান
  2. মৌলভীবাজার জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান
  3. সুনামগঞ্জ জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান
  4. হবিগঞ্জ জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান

খুলনা বিভাগের ১০ টি জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান সমূহ

  1. খুলনা জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান
  2. কুষ্টিয়া জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান
  3. চুয়াডাঙ্গা জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান
  4. ঝিনাইদহ জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান
  5. নড়াইল জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান
  6. বাগেরহাট জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান
  7. মাগুরা জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান
  8. মেহেরপুর জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান
  9. যশোর জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান
  10. সাতক্ষীরা জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান

বরিশাল বিভাগের ৬ টি জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান সমূহ

  1. বরিশাল জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান
  2. ঝালকাঠি জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান
  3. পটুয়াখালী জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান
  4. বরগুনা জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান
  5. ভোলা জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান

চট্টগ্রাম বিভাগের ১১ টি জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান সমূহ

  1. চট্টগ্রাম জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান
  2. কক্সবাজার জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান
  3. খাগড়াছড়ি জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান
  4. কুমিল্লা জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান
  5. চাঁদপুর জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান
  6. নোয়াখালী জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান
  7. ফেনী জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান
  8. বান্দরবান জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান
  9. ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান
  10. রাঙ্গামাটি জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান
  11. লক্ষ্মীপুর জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান

রাজশাহী বিভাগের ৮ টি জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান সমূহ

  1. রাজশাহী জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান
  2. চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান
  3. জয়পুরহাট জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান
  4. নওগাঁ জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান
  5. নাটোর জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান
  6. পাবনা জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান
  7. বগুড়া জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান
  8. সিরাজগঞ্জ জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান

রংপুর বিভাগের ৮ টি জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান সমূহ

  1. রংপুর জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান
  2. কুড়িগ্রাম জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান
  3. গাইবান্ধা জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান
  4. ঠাকুরগাঁও জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান
  5. দিনাজপুর জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান
  6. নীলফামারী জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান
  7. পঞ্চগড় জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান
  8. লালমনিরহাট জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান

ময়মনসিংহ বিভাগের ৪ টি জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান সমূহ

  1. ময়মনসিংহ জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান
  2. জামালপুর জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান
  3. নেত্রকোনা জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান
  4. শেরপুর জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান

Filed Under: বাংলাদেশ Tagged With: ঐতিহাসিক স্থান, জেলার দর্শনীয় স্থান, দর্শনীয় স্থান, দর্শনীয় স্থান তালিকা, পর্যটক আকর্ষণ, পর্যটন স্থান ভ্রমণ, প্রতিটি জেলার দর্শনীয় স্থান, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, বাংলাদেশ ট্যুরিস্ট স্পট, বাংলাদেশ পর্যটন তথ্য, বাংলাদেশ ভ্রমণ, বাংলাদেশের পর্যটন, বাংলাদেশের সৌন্দর্য, বিখ্যাত ভ্রমণ স্থান, ভ্রমণ স্পট

Primary Sidebar

জনপ্রিয় পোস্ট

সাম্প্রতিক পোস্ট

  • ঢাকা বিভাগ
  • বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর, ঢাকা
  • বোটানিক্যাল গার্ডেন ও ইকো পার্ক, সীতাকুন্ড
  • রমনা পার্ক
  • দায়িত্বশীল ভ্রমণ টিপস: বর্জনীয় বিষয় সমূহ
  • খেলারাম দাতার কোঠা
  • বাংলাদেশের ১০টি আকর্ষণীয় প্রাকৃতিক পর্যটন স্থান

Footer

সেরা পছন্দ

  • » বাংলাদেশের প্রতিটি জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান
  • » ভ্রমণের আগে করণীয় ১০টি গুরুত্বপূর্ণ কাজ: সঠিক প্রস্তুতির চেকলিস্ট
  • » ভ্রমণের আগে করণীয় ১০টি গুরুত্বপূর্ণ কাজ
  • » বাংলাদেশ: প্রকৃতি ও সংস্কৃতির অপার সৌন্দর্যের দেশ

কপিরাইট © ২০২৫ ট্রাভেলার আতিক, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

  • সম্পর্কিত
  • গোপনীয়তা
  • শর্তাবলী
  • যোগাযোগ
  • সাইটম্যাপ