• Skip to primary navigation
  • Skip to main content
  • Skip to primary sidebar
  • Skip to footer
ট্রাভেলার আতিক

ট্রাভেলার আতিক

বাংলা ট্রাভেল ব্লগ

  • হোম
  • বাংলাদেশ
    • ঢাকা বিভাগ
      • ঢাকা জেলা
      • মানিকগঞ্জ জেলা
      • মুন্সিগঞ্জ জেলা
      • কিশোরগঞ্জ জেলা
      • গাজীপুর জেলা
      • গোপালগঞ্জ জেলা
      • টাঙ্গাইল জেলা
      • নরসিংদী জেলা
      • নারায়ণগঞ্জ জেলা
      • ফরিদপুর জেলা
      • মাদারীপুর জেলা
      • রাজবাড়ী জেলা
      • শরীয়তপুর জেলা
    • চট্টগ্রাম বিভাগ
      • চট্টগ্রাম জেলা
      • কক্সবাজার জেলা
      • কুমিল্লা জেলা
      • খাগড়াছড়ি জেলা
      • চাঁদপুর জেলা
      • নোয়াখালী জেলা
      • ফেনী জেলা
      • বান্দরবান জেলা
      • ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা
      • রাঙ্গামাটি জেলা
      • লক্ষ্মীপুর জেলা
    • রাজশাহী বিভাগ
      • রাজশাহী জেলা
      • চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা
      • জয়পুরহাট জেলা
      • নওগাঁ জেলা
      • নাটোর জেলা
      • পাবনা জেলা
      • বগুড়া জেলা
      • সিরাজগঞ্জ জেলা
    • খুলনা বিভাগ
      • খুলনা জেলা
      • কুষ্টিয়া জেলা
      • চুয়াডাঙ্গা জেলা
      • ঝিনাইদহ জেলা
      • নড়াইল জেলা
      • বাগেরহাট জেলা
      • মাগুরা জেলা
      • মেহেরপুর জেলা
      • যশোর জেলা
      • সাতক্ষীরা জেলা
    • বরিশাল বিভাগ
      • বরিশাল জেলা
      • ঝালকাঠি জেলা
      • পটুয়াখালী জেলা
      • পিরোজপুর জেলা
      • বরগুনা জেলা
      • ভোলা জেলা
    • সিলেট বিভাগ
      • সিলেট জেলা
      • মৌলভীবাজার জেলা
      • সুনামগঞ্জ জেলা
      • হবিগঞ্জ জেলা
    • রংপুর বিভাগ
      • রংপুর জেলা
      • পঞ্চগড় জেলা
      • কুড়িগ্রাম জেলা
      • গাইবান্ধা জেলা
      • ঠাকুরগাঁও জেলা
      • দিনাজপুর জেলা
      • নীলফামারী জেলা
      • লালমনিরহাট জেলা
    • ময়মনসিংহ বিভাগ
      • ময়মনসিংহ জেলা
      • জামালপুর জেলা
      • শেরপুর জেলা
      • নেত্রকোনা জেলা
  • ভ্রমন পরামর্শ

Park

রমনা পার্ক

মে ১৩, ২০২৫ by আতিকুর রহমান

বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা, তার ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতির জন্য সুপরিচিত। মসলিন, মসজিদ আর রিকশার শহর হিসেবে একসময় পরিচিত এই নগরী আজ এক বিশাল মহানগরে রূপ নিয়েছে, যেখানে অতীতের স্মৃতি ও আধুনিকতার সম্মিলন ঘটেছে এক অভাবনীয় ছন্দে। এই শহরের বুকজুড়ে ছড়িয়ে থাকা ইতিহাসের এক জ্বলন্ত নিদর্শন হলো রমনা পার্ক—যা শুধু একটি উদ্যান নয়, বরং একটি শহরের ঐতিহ্য ও প্রকৃতির মিলনস্থল।

মুঘল আমল থেকে আধুনিক রমনা

রমনার ইতিহাস শুরু হয় মুঘল শাসনামলে, আনুমানিক ১৬১০ সালে, যখন সুবাদার ইসলাম খান সম্রাট জাহাঙ্গীরের নির্দেশে ঢাকাকে রাজধানী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন। তখন রমনা ছিল ঢাকার উত্তরে অবস্থিত এক অভিজাত এলাকা, যেখানে নতুন বাড়ি, মসজিদ, মন্দির, সমাধি ও বাগান নির্মিত হয়। এ অঞ্চল একসময় মুঘলদের সামাজিক ও ধর্মীয় কার্যকলাপের কেন্দ্র ছিল।

তবে মুঘল শাসনের অবসান ও রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে রমনার জৌলুস হারিয়ে যেতে থাকে। সময়ের পরিক্রমায় এটি পরিণত হয় পরিত্যক্ত ভবন, ঝোপঝাড়, কবরস্থান ও ধ্বংসপ্রাপ্ত মন্দিরের অঞ্চলে। এই ঐতিহাসিক স্থানটির পুনর্জন্ম ঘটে ১৯৫২ সালে, যখন তৎকালীন সি অ্যান্ড বি বিভাগ (বর্তমানে গণপূর্ত অধিদপ্তর) এর আধুনিক রূপ দেওয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করে।

আধুনিক নকশা ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য

রমনা পার্ক বর্তমানে ঢাকার সবচেয়ে বড় এবং সুপরিকল্পিত উদ্যানগুলোর একটি। এর মোট আয়তন ৬৮.৫০ একর, যার মধ্যে ৮.৭৬ একরজুড়ে রয়েছে একটি নান্দনিক লেক। পার্কে বিভিন্ন ধরণের গাছপালা যেমন ফুল, ফলজ, ঔষধি ও বনজ বৃক্ষ রোপণ করা হয়েছে, যার সংখ্যা ১২২ প্রজাতিরও বেশি। এখানে নাগেশ্বরচাঁপা, স্বর্ণচাঁপা, কর্পূর, রীঠা, নাগলিঙ্গম, অর্জুন, মহুয়া, কুসুম, তেলসু ও অশোক গাছ বিশেষভাবে চোখে পড়ে।

লেকের চারপাশে ও পার্কজুড়ে নির্মিত হয়েছে প্রশস্ত পথ, নতুন পাঁচটি গেট, ছাউনি, বসার স্থান এবং টয়লেট সুবিধা—যা নাগরিকদের জন্য এক নিঃশব্দ আরাম ও প্রকৃতির ছোঁয়া পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করে।

ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা

বর্তমানে রমনা পার্ক উদ্যানতত্ত্ব অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে রক্ষণাবেক্ষণ করা হচ্ছে। এটি কেবল একটি বিনোদন কেন্দ্র নয়, বরং ঢাকা শহরের ইতিহাস ও নগর উন্নয়নের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ। যদি নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয় এবং সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে এটি সকল শ্রেণির মানুষের জন্য উন্মুক্ত ও উপভোগ্য করে তোলা যায়, তবে রমনা পার্ক হতে পারে ঢাকার এক অনন্য প্রাকৃতিক ও ঐতিহাসিক আকর্ষণ।

রমনা পার্ক শুধু গাছপালা আর জলাধারের সমন্বয়ে গঠিত একটি স্থান নয়, এটি ঢাকার অতীত ঐতিহ্য ও নাগরিক জীবনের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এই পার্কে হাঁটলে যেন মুঘল আমলের ছায়া, বৃটিশ শাসনের স্মৃতি এবং আধুনিক শহর পরিকল্পনার নিদর্শন একসাথে মিশে যায়—যা প্রতিটি ঢাকাবাসীর গর্ব করার মতো।

উপসংহার

রমনা পার্ক শুধু একটি পার্ক নয়, এটি ঢাকার ইতিহাস, সংস্কৃতি ও প্রকৃতির এক অপূর্ব মিলনস্থল। প্রাচীন মুঘল ঐতিহ্য থেকে শুরু করে আধুনিক শহরায়নের নানা অধ্যায়ে এই পার্ক স্বাক্ষী হয়েছে সময়ের পরিবর্তনের। আজও এটি নাগরিক জীবনের এক শান্ত আশ্রয়স্থল, যেখানে প্রকৃতির ছোঁয়া পাওয়া যায় কোলাহলময় নগরের মধ্যেও। তবে এর পূর্ণ সম্ভাবনা কাজে লাগাতে হলে নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনাগত উন্নয়নের পাশাপাশি সকল শ্রেণির মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। তখনই রমনা পার্ক হয়ে উঠবে একটি সর্বজনীন ঐতিহাসিক ও প্রাকৃতিক ঐতিহ্য—যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছেও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক ও প্রিয় থাকবে।

টিকিট এবং সময়সূচি

টিকিট :

বর্তমানে রমনা পার্ক সকল দর্শনার্থীদের বিনামূল্যে প্রবেশের জন্য উন্মুক্ত, পার্কের  ভিতরে প্রবেশ করতে কোন টিকিট সংগ্রহ বা ফি প্রদান করতে হয় না।

সময়সূচি:

নিচে টেবিল আকারে রমনা পার্কের সকাল ও বিকেলের সময়সূচি দেওয়া হলো:

সময়কাল সময়
সকাল সকাল ৬:০০ – দুপুর ১২:০০
বিকেল বিকেল ২:০০ – রাত ৮:০০

অন্যান্ন তথ্য

বিশেষ দ্রষ্টব্য: রমনা পার্ক সম্পের্কে আরও বস্তারিত তথ্য জানতে উইকিপিডিয়ার বিস্তারিত আর্টিক্যাল দেখুন: দর্শনীয় স্থান: রমনা পার্ক

মানচিত্র

গুগলের মানচিত্রে রমনা পার্ক।

ভিডিও ডকুমেন্টারি

Filed Under: এশিয়া, ঢাকা, বাংলাদেশ, ভ্রমণ গন্তব্য Tagged With: Park, Ramna, Ramna Park, উদ্যান, ঐতিহাসিক স্থান, ঢাকা, নগর পরিকল্পনা, পর্যটন, পার্ক, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, বাংলাদেশ ইতিহাস, মুঘল ইতিহাস, রমনা, রমনা পার্ক, শহর উন্নয়ন

বলধা গার্ডেন

জানুয়ারি ১৪, ২০২৫ by আতিকুর রহমান

ঢাকার কোলাহলপূর্ণ নগরজীবনের মাঝে অবস্থিত বলধা গার্ডেন এক নিরিবিলি প্রাকৃতিক আশ্রয়স্থল। রাজধানীর পুরান ঢাকার ওয়ারী এলাকায় অবস্থিত এই বাগানটি কেবল একটি উদ্যান নয়—এটি ইতিহাস, প্রকৃতি এবং সৌন্দর্যের এক অপূর্ব সম্মিলন। ১৯০৯ সালে ব্রিটিশ ভারতের খ্যাতনামা জমিদার ও উদ্ভিদপ্রেমী নরেন্দ্র নারায়ণ রায় চৌধুরী নিজস্ব অর্থায়নে গড়ে তোলেন এই বাগানটি, যা আজও তার স্বপ্ন ও ভালোবাসার পরিচয় বহন করে।

ইতিহাস ও প্রতিষ্ঠার পেছনের গল্প

নরেন্দ্র নারায়ণ ছিলেন বলধা এস্টেটের জমিদার। তিনি ইংরেজি, সংস্কৃত ও উদ্ভিদবিজ্ঞানে দক্ষ ছিলেন। তাঁর ইচ্ছা ছিল এমন একটি উদ্ভিদ উদ্যান গড়ে তোলা, যেখানে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে সংগ্রহ করা বিরল ও বৈচিত্র্যময় উদ্ভিদের একত্রিত রূপ থাকবে। প্রায় ৩০ বছর সময় ধরে ব্যক্তিগত উদ্যোগে তিনি এই কাজ চালিয়ে যান। গার্ডেনটির নামকরণ করেন গ্রিক পুরাণ থেকে নেওয়া দুই দেবীর নামে: Psyche (সাইক) ও Cybele (সিবেলি)।

উদ্ভিদের বৈচিত্র্য ও বিশেষ আকর্ষণ

বলধা গার্ডেনে প্রায় ১৫,০০০টির বেশি গাছপালা রয়েছে যা প্রায় ৬৭২টি প্রজাতির মধ্যে সীমাবদ্ধ, এবং সেগুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে ৮৭টি উদ্ভিদ পরিবারে। এখানে এশিয়া, আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া, ইউরোপ ও আমেরিকা থেকে সংগ্রহ করা উদ্ভিদ রয়েছে। উল্লেখযোগ্য গাছগুলোর মধ্যে রয়েছে:

  • বাওবাব (Adansonia digitata) – আফ্রিকা থেকে আনা বিরল গাছ
  • অর্কিড, ক্যাকটাস, লিলি, মেহগনি
  • ক্যামেলিয়া – এই ফুল দেখে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচনা করেন কবিতা ‘ক্যামেলিয়া’
  • প্যাপিরাস (Cyperus papyrus) – প্রাচীন মিশরীয় কাগজ তৈরিতে ব্যবহৃত উদ্ভিদ
  • অমজন পদ্ম (Victoria regia) – বিশালাকৃতির জলজ ফুল

এছাড়া আলাদা ঘরে সংরক্ষিত রয়েছে এলোভেরা, আইভি (Ficus ripens var. heterophylla), বিভিন্ন প্রজাতির ফার্ন এবং ঔষধি গাছ।

উদ্যানের গঠন: সাইক ও সিবেলি

গার্ডেনটি প্রায় ৩.১৫ একর আয়তনের এবং এটি দুইটি ভাগে বিভক্ত:

১. সাইক (Psyche)

এই অংশে রয়েছে মনোরম ফুলের বাগান, শাপলার পুকুর, নানা রঙের জলজ উদ্ভিদ ও জলাধার। বিশেষভাবে সাজানো শোভাময় উদ্ভিদ ছাড়াও এখানে রয়েছে ক্যাকটাস ও প্যাপিরাসের মতো নির্দিষ্ট অঞ্চলের উদ্ভিদ।

২. সিবেলি (Cybele)

সিবেলি অংশে রয়েছে বিভিন্ন প্রাচীন ও বড় আকৃতির গাছের সংগ্রহ, একটি ঐতিহাসিক পুকুর – শঙ্খনিধি পুকুর, এবং একটি সূর্যঘড়ি (Sundial), যা সময় পরিমাপে ব্যবহৃত হতো। এটি গার্ডেনটির অপেক্ষাকৃত ছায়াযুক্ত, নিঃশব্দ এবং রহস্যময় অঞ্চল।

সংরক্ষণ ও বর্তমান অবস্থা

নরেন্দ্র নারায়ণ রায় চৌধুরীর মৃত্যুর পর ১৯৪৩ সালে গার্ডেনটির রক্ষণাবেক্ষণ ব্যাহত হয়। পরবর্তীতে ১৯৬২ সালে এটি বাংলাদেশ সরকারের বন বিভাগের অধীনে আসে এবং জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যান হিসেবে ঘোষণা করা হয়। তবে পরবর্তীতে সিবেলি অংশের একটি অংশ বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় চলে যাওয়ায় পরিবেশগত ক্ষতি এবং নিরাপত্তাজনিত সমস্যা দেখা দেয়।

বর্তমানে এটি সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত, এবং এটি ঢাকায় শিক্ষা, গবেষণা ও ফটোগ্রাফির জন্য একটি আকর্ষণীয় কেন্দ্র। তবে, যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ ও নিরাপত্তা না থাকায় মাঝে মাঝে অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগও পাওয়া যায়।

উপসংহার

বলধা গার্ডেন কেবল একটি প্রাকৃতিক উদ্যান নয়—এটি ইতিহাস, সংস্কৃতি, উদ্ভিদবিজ্ঞান ও সৌন্দর্যের এক জীবনন্ত দলিল। এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে প্রকৃতির সংরক্ষণ, ঐতিহ্যের গুরুত্ব এবং এক ব্যক্তির একাগ্রতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকুক—এটাই প্রত্যাশা।

সময়সূচি ও টিকেট

সময়সূচি

দিন সময়
সোমবার সকাল ৮:৩০ – সন্ধ্যা ৭:০০
মঙ্গলবার সকাল ৮:৩০ – সন্ধ্যা ৭:০০
বুধবার সকাল ৮:৩০ – সন্ধ্যা ৭:০০
বৃহস্পতিবার সকাল ৮:৩০ – সন্ধ্যা ৭:০০
শুক্রবার সকাল ৮:৩০ – সন্ধ্যা ৭:০০
শনিবার সকাল ৮:৩০ – সন্ধ্যা ৭:০০
রবিবার সকাল ৮:৩০ – সন্ধ্যা ৭:০০

টিকেট

বলধা গার্ডেনে প্রবেশ টিকেট সংক্রান্ত তথ্য ও টিকেট মূল্য নিচে টেবিল আকারে দেওয়া হলো:

শ্রেণী প্রবেশমূল্য মন্তব্য
সাধারণ প্রবেশ (প্রাপ্তবয়স্ক) ১০০ টাকা –
১২ বছরের কম বয়সী ৫০ টাকা –
বিদেশী পর্যটক ১০০০ টাকা –
শিক্ষার্থীদের দল (১০০ জন পর্যন্ত) ১,০০০ টাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে প্রবেশ
শিক্ষার্থীদের দল (১০০ জনের বেশি) ১,৫০০ টাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে প্রবেশ
জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যানে শরীরচর্চা বার্ষিক ৫০০ টাকা শরীরচর্চার জন্য প্রবেশ কার্ড

মানচিত্র

গুগলের মানচিত্রে বলধা গার্ডেন।

Filed Under: এশিয়া, ঢাকা, বাংলাদেশ, ভ্রমণ গন্তব্য Tagged With: Baldha Garden, Botanical Garden, Park

Primary Sidebar

জনপ্রিয় পোস্ট

সাম্প্রতিক পোস্ট

  • ঢাকা বিভাগ
  • বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর, ঢাকা
  • বোটানিক্যাল গার্ডেন ও ইকো পার্ক, সীতাকুন্ড
  • রমনা পার্ক
  • দায়িত্বশীল ভ্রমণ টিপস: বর্জনীয় বিষয় সমূহ
  • খেলারাম দাতার কোঠা
  • বাংলাদেশের ১০টি আকর্ষণীয় প্রাকৃতিক পর্যটন স্থান

Footer

সেরা পছন্দ

  • » বাংলাদেশের প্রতিটি জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান
  • » ভ্রমণের আগে করণীয় ১০টি গুরুত্বপূর্ণ কাজ: সঠিক প্রস্তুতির চেকলিস্ট
  • » ভ্রমণের আগে করণীয় ১০টি গুরুত্বপূর্ণ কাজ
  • » বাংলাদেশ: প্রকৃতি ও সংস্কৃতির অপার সৌন্দর্যের দেশ

কপিরাইট © ২০২৫ ট্রাভেলার আতিক, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

  • সম্পর্কিত
  • গোপনীয়তা
  • শর্তাবলী
  • যোগাযোগ
  • সাইটম্যাপ